উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. শাহানাজ পারভীন প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষনের উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রাকিবুল আলম ও কল্লোল কিশোর সরকার। এতে আরডিআরএস বাংলাদেশ এর প্রকল্প সমন্বয়কারী কৃষিবিদ মো. হাফিজুর রহমান শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
প্রশিক্ষনের উদ্দেশ্য ও মূল বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন প্রকল্প কর্মকর্তা মো. শাহীনুর ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমানে কমার্শিয়ালাইজেশন
অব বায়োফর্টিফাইড ক্রপস প্রকল্পের মাধ্যমে মানসম্মত জিংক সমৃদ্ধ ধান বীজের উৎস এবং কৃষকের উৎপাদিত ধান থেকে রাইস মিলার ও চাল ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে কার্যক্রমের পরিধি আরও গতিশীল হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় এ প্রকল্পের আওতায় চলতি বছরে ০৫টি অটো রাইসমিলের মাধ্যমে ৩৫০ মে.টন ধান সংগ্রহ করে চাল উৎপাদন করা হয়। এছাড়াও বায়োফর্টিফাইড ক্রপস হিসেবে আসন্ন বোরো মৌসুমে অধিক ফলনশীল ও জিংক সমৃদ্ধ জাত ব্রিধান ৭৪ এবং জিংক ও আয়রন সমৃদ্ধ জাত ব্রিধান ৮৪ এর উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি জিংক সমৃদ্ধ চাল ভোক্তার নিকট সহজে পৌঁছানোর কৌশল আলোকপাত করেন।
প্রশিক্ষন শেষে অংশগ্রহনকারী সকলেই মতামত প্রকাশ করেন এবং উপলদ্ধি করেন যে, বর্তমান সময়ে জিংক অতি প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান এবং এর অভাবে শিশু ও মায়েদের স্বাস্থ্যগত মারাত্মক ঝুঁকি বাড়ে। তাই জিংকের ঘাটতি পূরণে জিংক সমৃদ্ধ ধান উৎপাদনে সকলের এগিয়ে আসা উচিত। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলার ১৭ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অংশ গ্রহন করেন।

No comments:
Post a Comment