নিজস্ব প্রতিবেদক
ভুক্তভোগী দুলাল চন্দ্র চৌধুরী জানান, সেদিন সোনালী ব্যাংক কাউনিয়া শাখা থেকে দূর্গোৎসব উপলক্ষে তার বোনাস ও মাসিক বেতনের ৮৬ হাজার টাকা উত্তোলন করে পায়ে হেঁটে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দিকে যাচ্ছিলেন। সরকারি খাদ্য গুদামের সামনে পৌঁছিলে চার্জার অটোতে ২ জন ও ক্রেতা সেজে ২ জনসহ ৪ জন অপরিচিত লোক ওমান দেশের ১শ টাকার নোট যার মূল্য ২৮ হাজার হলেও তা মাত্র ১০ হাজার ৬৬৬ টাকায় অর্থাৎ কমদামে তা কেনাবেচা হচ্ছে।
এ সময় ওমানের টাকা কেনাবেচার দৃশ্য দেখতে গিয়ে তিনিও লোভে পরে ওমানের ১শ টাকার ৬টি নোট ৬৪ হাজার টাকা দিয়ে বেশি লাভের আশায় কিনে নেয়। পরে হাসপাতালে গিয়ে একজন ডাক্তারকে ওমানের টাকা কমদামে কেনার বিষয়টি জানালে ওই ডাক্তার মোবাইলে সার্জ দিয়ে দেখেন ওমানের ১শ লেখা টাকাটি ১শ টাকা নয় ১শ পয়সা মূল্যের। সুতারাং ১শ পয়সায় ১ টাকা আর ওমানের ১ টাকায় বাংলাদেশের ২২৮ টাকা।

No comments:
Post a Comment