সরেজমিনে গিয়ে উপজেলার তিস্তাপাড়ের মানুষ গুলোর এখন আর খাবার আর্তনাদ নেই, আছে অতিতের কষ্ট থেকে শীতের আর্তনাদ। তিস্তাপাড়ের দারীদ্রক্লীষ্ট ঢুষমারাচর, গদাইচর, আরাজি হরিশ্বরচর, গোপিডাঙ্গা চর, প্রাণনাধচর, চর সাব্দী, চরগনাই, হরিচরণশর্মা, তালুক শাহবাজ, বিশ্বনাথচর, আজমখাঁচর, চর হায়বৎখাঁ, টাপুরচর, চর নাজিরদহ একতাচর, ধুমগাড়াচর, পল্লীমারী চরসহ উপজেলার গ্রামগুলোতে শীতকষ্টের একই চিত্র।
তিস্তা নদীর কোল ঘেঁষা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ৮৩টি গ্রামের ২০টি গ্রামই হলো তিস্তার চরাঞ্চল। চরাঞ্চলের ওই সব মানুষের সুখ-দুঃখ গাঁথা কথা কেউ শোনার নেই।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহসান
হাবীব সরকার জানান, প্রাপ্ত কম্বল বিতরণ চলমান রয়েছে এবং আরও প্রাপ্তীর জন্য জেলা অফিসে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা তারিন জানান, ইতোঃমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে বরাদ্দ পাওয়া কম্বল ৪৭০টি করে ৬ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে বিতরণ শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন নেই কম্বল প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
এমআর

No comments:
Post a Comment