নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ শফিউল বারী নাবিল (১৩) জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে অর্থাভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে জীবন পার করছে। সবার সহযোগিতায় সে উন্নত চিকিৎসা নিয়ে বেঁচে
থাকার আকুতি জানিয়েছে। কিশোর নাবিল রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নে রাজীব গ্রামের দরিদ্র কাঠমিস্ত্রি আলী হোসেনের ছেলে।
থাকার আকুতি জানিয়েছে। কিশোর নাবিল রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নে রাজীব গ্রামের দরিদ্র কাঠমিস্ত্রি আলী হোসেনের ছেলে।
বাবা আলী হোসেন জানায়, নাবিল জন্ম গ্রহনের পর থেকে নানা সমস্যায় ভুগছে। কিছুদিন পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ধরা পরে তার হার্টে ছিদ্র ও লাঞ্চে জটিল সমস্যা। এলাকার মানুষের অর্থ সহায়তা নিয়ে ২০১৯ সালে ২ এপ্রিল ভারতের ব্যঙ্গালোর নারায়ণা ইনস্টিটিউট অফ কার্ডিয়াক হাসপাতালে ডাঃ দেবী প্রসাদ শেঠির অধীনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসা নেন। তিনি দু’বছর ঔষধ সেবনের পর তার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।
এরমধ্যে রোগীর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করে কাগজপত্র গত দুই সপ্তাহ আগে তার নিকট ইমেইল করে পাঠালে তিনি চলতি বছরে অপারেশনের প্রস্তুতি নিয়ে ভারতে এসে তার সাথে দেখা করতে বলেন। কিন্তু এতদিন জমি বিক্রি ও মানুষের সাহায্য নিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম চললেও এখন ভিটাবাড়ী টুকু ছাড়া কোন জমি বিক্রি করার মত নেই।
ডাক্তার বলেছেন তার হার্টের অপারেশনে ব্যয় হবে প্রায় ৭-৮ লাখ টাকা। যা যোগাড় করে চিকিৎসা করার ক্ষমতা দরিদ্র পিতার একেবারে নেই। অসহায় পিতা কাঠমিস্ত্রি আলী হোসেন সরকারি ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সহায়তা নিয়ে ছেলের চিকিৎসা করে তাকে বাঁচাতে সবার কাছে আকুতি জানিয়েছেন।
বর্তমানে নাবিল রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজী বিভাগের কনসালটেন্ট ডাক্তার আব্দুল্লাহ-আল মাহমুদের তত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছে। সে রাজীব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। সাহায্য পাঠাতে- সঞ্চয়ী হিসাব নং ০১০০০৪৭৪৩৫৮৫৯
জনতা ব্যাংক, কাউনিয়া শাখা অথবা বিকাশ নম্বর-০১৭৭৩৮৬০৩১৩।
-এমআর

No comments:
Post a Comment